অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৩ কোটি ডলার

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে মোট ১৬৩ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) পাঠিয়েছে। চলতি অর্থবছরে মাসের হিসেবে এট পরিমাণ সর্বোচ্চ। বৈধ পথে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী করতে ২০১৯-’২০ অর্থবছরে সরকার ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেয়। অক্টোবর থেকেই তা কার্যকর হওয়ায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, বিদায়ী অক্টোবর মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩২ দশমিক ২৮ শতাংশ। মাসের হিসেবে সেপ্টেম্বরের তুলনায় এটি ১১ শতাংশ ৬৪ শতাংশ বেশি। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের জুলাই ও অক্টোবরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর আগে মে মাসে প্রবাসীদের কাছ থেকে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিদের্শনা মোতাবেক সর্বোচ্চ দেড় হাজার ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে। 
রেমিট্যান্সের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি হলে প্রেরণকারীকে আয়ের উৎস সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নথি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, সরকারের নানা রকম উদ্যোগের ফলে আগামীতে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরো বাড়বে। এতে আয় ও ব্যয়ের ভারসাম্য সঙ্কট মেটাতে পারবে সরকার।  

ডলারের বিপরীতে টাকার দাম সহনীয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। তাই বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের নানাভাবে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার। 
নভেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আন্তঃব্যাংক বিনিময়ের ক্ষেত্রে ডলারের মূল্য ৮৪ দশমিক ৭৫ টাকা, কিন্তু গত বছর একই সময়ে তা ছিল ৮৩ দশমিক ৮৫ টাকা। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকার ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে ২ শতাংশ প্রণোদনার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই রেমিট্যান্স বেড়েছে। এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
 
মাইগ্রেশননিউজবিডি.কম/সাদেক ##

share this news to friends