অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর ক্ষণগণনা উদ্বোধন
Photo: Migration News

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের ক্ষণগণনা অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে কানাডার রাজধানী অটোয়াসহ  বিভিন্ন প্রদেশের বাংলাদেশ  কম্যুনিটি নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসী বাংলাদেশীগণ এবং অত্র হাই কমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ গ্রহন করেন।  

মান্যবর হাই কমিশনার মহোদয়ের সভাপতিত্বে শুরুতেই এ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ যথাক্রমে পাঠ করেন হাই কমিশনের উপ হাই কমিশনার জনাব চিরঞ্জীব সরকার, মিনিস্টার ও দূতালয় প্রধান জনাব মিয়া মোঃ মাইনুল কবির, কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) জনাব দেওয়ান হোসনে আইয়ুব এবং কাউন্সেলর (বাণিজ্যিক) জনাব মোঃ শাকিল মাহমুদ। বাণী পাঠ শেষে একটি উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে জনাব মাসুদ সিদ্দিকি, জনাব বাহাউদ্দিন শিশির, জনাব কবির চৌধুরী, জনাব জুলফি সাদিক, প্রফেসর নিপা ব্যাণার্জী, বেগম রাশেদা নেওয়াজ, হাই কমিশনের প্রথম সচিব মিজ অপর্ণা রানী পাল, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুল হক প্রমূখ এ দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির স্বাধীনতা পরিপূর্নতা পায় বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ব জনমতের চাপেই পাকিস্তানি সামরিক শাসকচক্র তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। আর সেখান থেকে মুক্ত হয়েই তিনি দেশে ফিরলেন বিজয়ী জাতির জনক হয়ে।  

সভাপতির বক্তব্যে মান্যবর হাই কমিশনার জনাব মিজানুর রহমান  জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে অভিমত ব্যক্ত করেন যে, মৃত্যুকে তুচ্ছ করে বঙ্গবন্ধু সমগ্র জাতির আশা-আকাঙ্খার প্রতীক হয়ে উঠেন।  বঙ্গবন্ধু ও বাঙ্গালী জাতি হয়ে উঠে এক অবিচ্ছিন্ন সত্তা, যে কারণেই তাঁর এ প্রত্যাবর্তন ছিল বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সার্থকতার এক অভূতপূর্ব মুহূর্ত বলে মান্যবর হাই কমিশনার মত প্রকাশ করেন। এপর্যায়ে মান্যবর হাই কমিশনার বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে অত্র হাই কমিশনের ওয়েবসাইটে ভার্চুয়াল ওয়াচ-এর মাধ্যমে ক্ষণগণনার শুভ উদ্বোধন করেন।  এসময় উপস্থিত কম্যুনিটির আমন্ত্রিত অথিথিবৃন্দ শুভ উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করেন।    

উল্লেখ্য যে, আসন্ন জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অত্র হাই কমিশন কর্তৃক গৃহীত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত নানা কর্মসূচীর বিষয়ে মান্যবর হাই কমিশনার উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। আমন্ত্রিত অতিথিগণ এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কম্যুনিটির পক্ষ থেকে নানাবিধ কর্মসূচী গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে হাই কমিশনকে অবহিত করেন। 
 
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলকে আপ্যায়ন করা হয়।

share this news to friends