করোনায় আটকে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন, জানালেন সিইসি

পরীক্ষামূলকভাবে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রবাসীদের কাছ থেকে অনলাইনে পাওয়া আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। কিন্তু করোনা ভাইরাস সমস্যায় টিম পাঠাতে বিলম্ব হচ্ছে। এমনটাই জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।


আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তজার্তিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি। এ সময় সিইসি দেশের ভোটার তালিকা হালনাগাদ সংখ্যা তুলে ধরেন।


সিইসি বলেন, বাংলাদেশ থেকে যন্ত্রপাতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশে একটি করে টিম পাঠানো হবে। তারা প্রবাসীদের বায়োমেট্রিক তথ্যাদি সংগ্রহ করবেন। তার ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত করে দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদনকারীদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে তাদেরকে ভোট প্রদানের সুযোগ দেওয়া হবে।


ঐতিহাসিক দিনগুলোর এক ফাঁকে ২ মার্চকে ভোটার দিবস রাখায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই বিশাল আকারের ডিজিটাল ভোটার তালিকা তৈরি করা একটি শ্রমসাধ্য কাজ। নিবন্ধন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে তথ্য অন্তর্ভুক্তি সহকারি পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে প্রায় পৌনে এক লাখ লোকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল ২০২০ সালের হালনাগাদ ভোটার তালিকা।


নানা প্রতিবন্ধকতা ও অপপ্রচার উপেক্ষা করে আমরা নির্বাচন পরিচালনায় ইভিএমের ব্যাপক ব্যবহার শুরুর দাবি করে কে এম নুরুল হুদা বলেন, নিজস্ব প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করেছি। ডিজিটাল ভোটার তালিকা, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইভিএম একে অপরের সম্পূরক। ডিজিটাল ভোটার তালিকা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের অগ্রজ। স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র ইভিএমের ঠিকানা।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৯০ লাখ নাগরিক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জীবন-যাপন করেন। তারা  দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রসংশনীয় অবদান রাখছেন। তাদের দুটো যৌক্তিক দাবি রয়েছে, একটি হলো ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তি, আর একটি হলো প্রবাসে  থেকে ভোট প্রদানের সুযোগ গ্রহণ। নির্বাচন কমিশন দুটি দাবিই পূরণে সক্ষম।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৬ প্রার্থীর সাথে একটি সফল বৈঠক করেছি । নির্বাচনী প্রচারে অলি-গলিতে মাইক ব্যবহার না করা এবং সড়কপথে নির্বাচনী পোস্টার টানানো নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দিয়েছি। প্রত্যেক প্রার্থীকে পাঁচটি করে নির্বাচনী মিছিল অথবা পথসভা করার পরামর্শ দিয়েছি। আমাদের এ উদ্যোগ সফল হলে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় সংশোধনী আনার প্রয়োজন হবে। তখনও আপনারা সহযোগিতা পাবেন বলে বিশ্বাস করি।


মাইগ্রেশননিউজবিডি.কম/সাদেক ##

share this news to friends