অভিবাসি শ্রমিকদের প্রাপ্তি ও বঞ্চনার তথ্য বিনিময় ওয়েবইনার অনুষ্ঠিত

আজ ০৯ নভেম্বর ২০২০ কর্মজীবী নারী বেলা ১১ ঘটিকা হতে ২ ঘটিকা পর্যন্ত কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বিদেশ ফেরত অভিবাসি শ্রমিকদের অর্থনৈতিক, পুণ: একত্রিকরণ এবং নিরাপদ অভিবাসন এর ক্ষেত্রে প্রাপ্তি ও বঞ্চনায় টিকে থাকার সংগ্রামী ও অনিশ্চিত জীবনযাত্রা শীর্ষক এক ওয়েবিনার কর্মজীবী নারীর নির্বাহি পরিচালক সানজিদা সুলতানার (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চালনায় কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমা পাল মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং গবেষণাটি কর্মজীবী নারীর পরিচালক রাহেলা রাব্বানী উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়। 
এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইশরাত জাহান, সভাপতি, সেন্টার ফর উইম্যান এন্ড চাইল্ড স্টাডিজ, শাকিরুল ইসলাম, সভাপতি, অভিবাসি কর্মী উন্নয়ণ প্রোগ্রাম, আমিনুল হক তুষার, মাইগ্রেশন এনালিস্ট, জাহিদ আনোয়ার, ডেপুটি ডিরেক্টর, ওয়েজ আর্নারস কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, রীণা রায়, পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, সরাওয়াত বিনতে ইসলাম, কর্মসূচী সমন্বয়ক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, বাবলুর রহমান, কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ফ্যায়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশন, প্রকৌশলী মো: শাকাওয়াত আলী, পরিচালক (প্রশিক্ষন) জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দুজন বিদেশ ফেরত অভিবাসি শ্রমিক। 
সভায় বক্তাদের বক্তব্যে অভিবাসি শ্রমিকের উপর কভিড ১৯ এর প্রভাব বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে এবং তারা বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলো হলো:
শ্রমিকদেরকে বেঁচে থাকার জন্য কাজের ব্যবস্তা করে দিতে হবে এবং সহজ শর্তে ্ঋণ দিতে হবে।
দালালরা যেন সঠিক তথ্য দিতে পারে। 
বাইলেটারেল এগ্রিমেন্ট ফলো করলে অভিবাসি শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা যাবে। 
ওয়েল ফেয়ার বোর্ডে অভিবাসিদের প্রদানকৃত অর্থ দিয়ে অভিবাসি শ্রমিকদের কল্যাণে কাজে লাগানো। 
প্রি- ডিসিশন ট্রেনিং এর উপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। 
সরকার যে ঋণ প্রদান করে সরকারের পক্ষ থেকে তা মনিটর করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
ঋণের সঙ্গে আনুষাঙ্গিক দিক যেমন সোশ্যাল রি- ইন্টিগ্রেশন এবং সাইকো সোশ্যাল রি- ইন্টিগ্রেশনের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
কভিড পরবর্তী যারা বিদেশ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ফিরেছেন তাদেরকে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা।
ওয়েজ আর্নার বোর্ড এবং সরকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্থ বিদেশ ফেরত অভিবাসিদের পাশে দাঁড়াতে হবে। 
সরকারি সার্ভিসগুলো গ্রামে গঞ্জে এবং তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। 
কভিড পরবর্তী যারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে তারা যেন আবার বিদেশে যেতে পারে সেজন্য সেই দেশের পরষ্টস্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে দিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় এবং যারা সে দেশে এখনও আছে তাদেরকে যেন ফেরত পাঠানো না হয়।
 শুধু আলোচনা নয় এর পাশাপাশি সরকারের কাছে প্রতিষষ্ঠানগুলোকে লিখিত দাবি পেশ করতে হবে। 
ইউপি পরিষদে অভিবাসিদের একটি তালিকা থাকা প্রয়োজন।

 

share this news to friends